Top

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

Viral News

 





জানুয়ারির শেষের দিকে আসছে করোনার ভ্যাকসিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী




স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আগামী জানুয়ারি মাসের শেষের দিকে দেশে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আনা হবে। আজ বুধবার দুপুরে মানিকগঞ্জে কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজের বহির্বিভাগ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

জাহিদ মালেক বলেন, করোনায় সারা বিশ্বের অর্থনীতিতে বিপর্যস্ত। যেখানে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতে আমেরিকা ১৫ ভাগ পিছিয়েছে, সেখানে বাংলাদেশে ৫ ভাগ এগিয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনায় আমরা করোনা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি। করোনা মোকাবিলায় বিশ্ব আজ বাংলাদেশকে নিয়ে প্রশংসা করছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও দেশের ঔষধ প্রশাসন অনুমোদন দিলে আগামী জানুয়ারির শেষের দিকে দেশে ভ্যাকসিন আনা হবে।’

কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আবদুল মান্নান, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা বিভাগের সচিব আলীনুর বিশ্বাস, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (শিক্ষা) এইচ এম এনায়েত হোসেন খান, বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মবিন খান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুস সালাম প্রমুখ।


স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দেশের ৬৪টি জেলায় মেডিকেল কলেজ স্থাপন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। দেশে ৩৮টি মেডিকেল কলেজ নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার। করোনা প্রতিরোধে সবাইকে সব সময় মাস্ক ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাস্তবায়ন করছেন উল্লেখ করে জাহিদ মালেক বলেন, বাংলাদেশের একজন মানুষও চিকিৎসার বাইরে থাকবে না। মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়ে ৭৩ বছর হয়েছে। গড় আয় ২০০ ডলার থেকে ২ হাজার ডলারে উন্নীত হয়েছে।


করোনায় ২৭ জনের মৃত্যু ২৪ ঘণ্টায়




দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (আজ সকাল আটটা পর্যন্ত) করোনাভাইরাসে সংক্রমিত আরও ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময় নতুন করে আরও ১ হাজার ৬৩২ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

দেশে এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ৯৫ হাজার ৮৪১ জনের দেহে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৭ হাজার ১৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ২৯ হাজার ৩৫১ জন।

আজ বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

অ্যান্টিজেনভিত্তিক পরীক্ষাসহ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৭ হাজার ২৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার সংখ্যা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ৯ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। ক্রমেই মহামারি আকারে সংক্রমণ বিশ্বের প্রায় সব দেশে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম সংক্রমণ শনাক্তের কথা জানায় সরকার।

শুরুর দিকে রোগী শনাক্তের হার কম ছিল। গত মে মাসের মাঝামাঝি থেকে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। ওই মাসের শেষের দিক থেকে রোগী শনাক্তের হার ২০ শতাংশের ওপরে চলে যায়। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত সেটি ২০ শতাংশের ওপরে ছিল।

এরপর থেকে নতুন রোগীর পাশাপাশি শনাক্তের হারও কমতে শুরু করেছিল। একপর্যায়ে দৈনিক রোগী শনাক্তের হার ১০ শতাংশ পর্যন্ত নেমেছিল।

মাস দুয়েক সংক্রমণ নিম্নমুখী থাকার পর গত নভেম্বরের শুরুর দিক থেকে নতুন রোগী ও শনাক্তের হারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়। নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে দৈনিক নতুন রোগী শনাক্তের গড় দুই হাজার ছাড়ায়। অবশ্য কয়েক দিন ধরে নতুন রোগী শনাক্ত দুই হাজারের কম।

জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, টিকা না আসা পর্যন্ত সংক্রমণ প্রতিরোধের মূল উপায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। বিশেষ করে বাইরে বের হলে মুখে মাস্ক পরা শতভাগ নিশ্চিত করা, কিছু সময় পরপর সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়ার বিধি মেনে চলতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে সংক্রমণ আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।



Post a Comment

0 Comments