Top

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

Bolog

 

Islamic Channel- জানতে পারবেন কোরআন এর সকল বানী। ইসলাম প্রচারে এগিয়ে আসুন!








ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে  বা ইসলাম কি??

আপনাদের সকলকে ইসলামি সম্ভাষণ আচ্ছালামুআলাইকুম।সম্প্রতি বিশ্বে ঘটনা প্রবাহের দিকে লক্ষ্য করে কছু লেখার চেষ্টা করছি। শুরু করছি মহান আল্লাহর নামে যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
আসলে আমাদের জানতে হবে ইসলাম কি?
যে কোনো কিছু নিয়ে আলোচনা করতে গেলে প্রথমেই সেটা কাকে বলে তা ঠিক করতে হয়। তাতে আলোচনার সুবিধে হয়। আসলে কুরআন ও হাদীসের আলোকে ইসলাম কি? জানার চেষ্টা করছি।
আভিধানিক অর্থেঃ
ইসলাম শব্দটি(আরবি ভাষায়: الإسلام আল্‌-ইসলাম্‌) "ইসলাম" শব্দের অর্থ "আত্মসমর্পণ",ইসলাম অর্থঃ- শান্তি ও নিরাপত্তা।
পারিভাষিক অর্থেঃ
আর ধর্মীয় পরিভাষায় ইসলামের অর্থ সারা বিশ্বের সৃস্টিকর্তা করুণাময় আল্লাহ তায়ালার নিকট আত্মসমর্পণ করা ও তাঁহার বিধি-বিধানগুলোকে পালন করা। আল্লাহর প্রেরিত নবী ও রাসুলগণ মানবজাতির পরিপূর্ণ কল্যানের জন্য যে আদর্শ এবং সুষ্ঠ জীবন যাত্রার ব্যবস্থা শিক্ষা দিয়েছেন তাহাই ইসলাম।
ইসলাম সর্ম্পকে কুরআন কি বলেঃ
আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনুল কারিমের সূরা ইমরানের ১৯ নং আয়াতে ইরশাদ করেন।
إِنَّ الدِّينَ عِندَ اللّهِ الإِسْلاَمَ
ইসলাম কেবল একটি ধর্ম নয়; একে 'The complete code of life' বা পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান বলা হয়। এটা শুধু মুসলিমদের জন্য প্রযোজ্য তা নয়; বরং গোটা বিশ্ববাসীর জন্য অবতীর্ণ।



পৃথিবীতে মানুষের সুষ্ঠু-সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য ইসলাম দিয়েছে পূর্ণ গ্যারান্টি। এতে মানুষের জান-মালের নিরাপত্তার ব্যাপারে চমৎকার দিক-নির্দেশনা রয়েছে এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনও করা হয়েছে। কেবল জাতিসংঘ সনদে নয়, অন্য কোন ধর্মেও এতটা গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
‘নরহত্যা অথবা পৃথিবীতে ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপের অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি ব্যতিরেকে কেউ কাউকে হত্যা করলে সে যেন পৃথিবীর সমগ্র মানব গোষ্ঠীকে হত্যা করল। আর কেউ কারও প্রাণ রক্ষা করলে সে যেন পৃথিবীর সমগ্র মানব গোষ্ঠীকে রক্ষা করল’ (মায়েদাহ ৩২)
 
আল্লাহ তা‘আলা অন্যত্র বলেন,
‘আল্লাহ যে প্রাণ হত্যা নিষিদ্ধ করেছেন যথার্থ কারণ ব্যতিরেকে তাকে হত্যা করো না’ (বনী ইসরাঈল ৩৩)
 
তিনি আরো বলেন,
‘আর কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন মুমিন ব্যক্তিকে হত্যা করলে তার শাস্তি জাহান্নাম, যেখানে সে স্থায়ী হবে এবং তার প্রতি আল্লাহর গযব ও অভিসম্পাত এবং তিনি তার জন্য মহাশাস্তি প্রস্তুত রাখবেন’ (নিসা ৯৩)
যুদ্ধাবস্থায়ও নিরপরাধ মানুষ হত্যা অবৈধ
মানবতার লালন ও সংরক্ষণের প্রতি ইসলামের এতই সুস্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি যে যুদ্ধাবস্থায়ও সে মানবাধিকারের প্রতি পুরোপুরি লক্ষ রাখার শিক্ষা দেয়। প্রথম খলিফা হজরত আবু বকর (রা.) যখন সিরিয়ায় সেনা পাঠান তখন তাদের ১০টি নির্দেশ দিয়ে দেন। সে নির্দেশ ছিল এই
১. নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের কেউ যেন হত্যা না করে।
২. লাশ যেন বিকৃত করা না হয়।
৩. আশ্রম, প্যাগোডা ও কুঠরিতে উপাসনারত সন্ন্যাসী ও তপস্বীদের কষ্ট দেওয়া যাবে না। কোনো উপাসনালয় ভাঙা যাবে না।
৪. ফলবান বৃক্ষ যেন কেউ না কাটে এবং ফসলের ক্ষেত যেন পোড়ানো না হয়।
৫. জনবসতিগুলোকে (সন্ত্রাস সৃষ্টির মাধ্যমে) যেন জনশূন্য না করা হয়।
৬. পশুদের যেন হত্যা করা না হয়।
৭. প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা চলবে না।
৮. যারা আনুগত্য স্বীকার করবে তাদের জানমালকে মুসলমানদের জানমালের মতো নিরাপত্তা দিতে হবে।
৯. গণিমতের সম্পত্তি যেন আত্মসাৎ করা না হয়।
১০. যুদ্ধে যেন পৃষ্ঠ প্রদর্শন করা না হয় (মুসান্নাকে ইবনে আবি শায়বাহ : ষষ্ঠ খণ্ড, পৃ: ৪৮৭-৪৮৮)
এ নির্দেশাবলি অধ্যয়ন করলে বোঝা যায় যে ইসলাম যুদ্ধকে সব হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড থেকে পবিত্র করে দিয়েছিল। অথচ সে সময়ে হিংসাত্মক কার্যকলাপ ছিল যুদ্ধের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কাজেই জিহাদ বা ধর্মযুদ্ধের নামেও নিরীহ মানুষ হত্যা করা ইসলাম সম্মত নয়... আরো দেখুন

Post a Comment

0 Comments